পূর্ণ পাঠ · প্রধান ধারাসমূহ
বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-
(ক) “আর্থিক প্রতিষ্ঠান” অর্থ-
(P.O. No. 127 of 1972) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংক;
(P.O. No. 26 of 1972) এর অধীন গঠিত ব্যাংক;
(Ordinance No. XL of 1976) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ;
Bangladesh Shilpa Rin Sangstha Order, 1972
(
1
[P.O. No. 128] of 1972) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা;
2
[1972] (P.O. No. 129 of 1972) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক;
Bangladesh Krishi Bank Order, 1973
(P.O. No. 27 of 1973) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক;
Rajshahi Krishi Unnayan Bank Ordinance, 1986
(Ordinance No. LVIII of 1986) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক;
(১৯৯৩ সনের ২৭ নং আইন) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান;
3
[(১৮) কোন আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত কোন ব্যাংক৷]
(খ) “আদালত” বা “অর্থ ঋণ আদালত” অর্থ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ধারা ৪ এ উল্লিখিত অধীন প্রতিষ্ঠিত বা ঘোষিত কোন আদালত অথবা অর্থ ঋণ আদালত হিসাবে গণ্য হইবে মর্মে কোন যুগ্ম-জেলা জজের আদালত৷
(গ) “ঋণ” অর্থ-
(ঘ) “সরকার” অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার৷
আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলীই কার্যকর হইবে৷
Civil Courts Act, 1887
এর বিধান অনুসারে, উহার স্থানীয় অধিক্ষেত্র স্থানান্তর বা অন্যত্র পুনঃনির্ধারণপূর্বক, অর্থ ঋণ আদালত হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে, এবং অনুরূপ ঘোষণার পর যুগ্ম-জেলা জজ আদালত হিসাবে উক্ত আদালতের কার্যক্রম সমাপ্ত হইবে বা স্থগিত থাকিবে, এবং জেলা জজ উক্ত যুগ্ম- জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন অন্য সকল মামলা তাঁহার এখ্তিয়ারাধীন অন্য কোন যুগ্ম-জেলা জজ আদালতে বদলীর নির্দেশ দান করিবেন৷
Transfer of Property Act, 1882
(Act No. IV of 1882) এর section 67 এর অধীন এবং The
Code of Civil Procedure, 1908
(Act No. V of 1908) এর Order XXXIV এর বিধান অনুযায়ী কোন বন্ধকী মামলা (Mortgage suit) দায়ের করিতে চাহিলে, উক্ত মামলাও এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত অর্থ ঋণ আদালতেই দায়ের করিতে হইবে; এবং এইরূপ ক্ষেত্রে The
Code of Civil Procedure, 1908
এর বিধানসমূহ এই আইনের বিধানসমূহের সহিত, যতদূর সম্ভব, সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রযোজ্য হইবে৷
Transfer of Property Act, 1882
অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে বিপরীত যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (৩) এর অধীন বন্ধকী মামলা ব্যতিরেকে, এই আইনের অধীন দায়েকৃত কোন মামলায়, আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রী বাদী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নিষ্ক্রিয় সমাপ্তির (Foreclosure) প্রাথমিক ডিক্রী হিসাবে গণ্য হইবে; এবং ঋণের বিপরীতে বাদীর অনুকূলে বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রীর ধারাবাহিকতায় নিলাম বিক্রয় হওয়া মাত্রই উক্ত প্রাথমিক ডিক্রী চূড়ান্ত ডিক্রী হিসাবে গণ্য হইবে, এবং বিক্রয় চূড়ান্ত ও ক্রয় বৈধ গণ্য হইবে এবং অতঃপর উক্ত সম্পত্তি পূনরুদ্ধার করিবার কোনরূপ অধিকার (Right to redeem) বিবাদী-দায়িকের থাকিবে না৷
Public Demands Recovery Act, 1913
(Act No. III of 1913) এর বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অর্থ ঋণ আদালত কর্তৃক আদায়যোগ্য ঋণ “সরকারী পাওনা” হইলেও উহা আদায়ার্থ মামলা এই আইনের অধীন আদালতেই দায়ের করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনূর্ধ্ব
1
[৫,০০,০০০ টাকার (পাঁচ লক্ষ টাকা)] দাবী সম্বলিত মামলাসমূহ অর্থ ঋণ আদালতে দায়ের না করিয়া The
Public Demands Recovery Act, 1913
এর বিধান অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা হিসাবেও দায়ের করা যাইবে৷
Code of Civil Procedure, 1908
এর সংশ্লিষ্ট বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷
1
[****] এবং দাখিলকৃত লিখিত জবাব মামলার নথিতে সামিল হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রী জারীর মাধ্যমে দাবী আদায় হওয়ার ক্ষেত্রে আদালত প্রথমে মূল ঋণগ্রহীতা-বিবাদীর এবং অতঃপর যথাক্রমে তৃতীয় পক্ষ বন্ধকদাতা (Third party mortgagor) ও তৃতীয় পক্ষ গ্যারান্টর (Third Party guarantor) এর সম্পত্তি যতদূর সম্ভব আকৃষ্ট করিবে:
আরো শর্ত থাকে যে, বাদীর অনুকূলে প্রদত্ত ডিক্রীর দাবী তৃতীয় পক্ষ বন্ধকদাতা (Third party mortgagor) অথবা তৃতীয় পক্ষ গ্যারান্টর (Third party guarantor) পরিশোধ করিয়া থাকিলে উক্ত ডিক্রী যথাক্রমে তাহাদের অনুকূলে স্থানান্তরিত হইবে এবং তাহারা মূল ঋণগ্রহীতার (Principal debtor) বিরুদ্ধে উহা প্রয়োগ বা জারী করিতে পারিবেন৷
(ক) বাদীর নাম, ঠিকানা, কর্মস্থল ইত্যাদির বিবরণ;
(খ) বিবাদীর নাম, ঠিকানা, কর্মস্থল, বাসস্থান ইত্যাদির বিবরণ;
(গ) দাবীর সহিত সম্পর্কিত সকল ঘটনা;
(ঘ) মামলার কারণ উদ্ভবের ঘটনা, স্থান এবং তারিখ;
(ঙ) কোর্ট ফি প্রদানের উদ্দেশ্যে মামলার তায়দাদ;
(চ) আদালতের এখ্তিয়ার রহিয়াছে মর্মে বিবরণ; এবং
(ছ) প্রার্থিত প্রতিকার৷
(ক) একটি তফসিল, যাহাতে প্রদর্শিত হইবে-
(অ) বিবাদীকে প্রদত্ত মূল ঋণ বা, ক্ষেত্রমত, বিনিয়োগকৃত টাকার পরিমাণ;
(আ) স্বাভাবিক সুদ বা, ক্ষেত্রমত, মুনাফা বা ভাড়া হিসাবে আরোপিত টাকার পরিমাণ;
(ই) দণ্ড সুদ হিসাবে আরোপিত টাকার পরিমাণ;
(ঈ) আর অন্যান্য বিষয় বাবদ বিবাদীর উপর আরোপিত টাকার পরিমাণ;
(উ) মামলা দায়েরের পূর্ব পর্যন্ত প্রণীত শেষ হিসাব মতে বিবাদী কর্তৃক বাদী আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণ বা পাওনা পরিশোধ বাবদে জমাদানকৃত টাকার পরিমাণ; এবং
(ঊ) বাদী কর্তৃক প্রদত্ত ও ধার্য মোট এবং বিবাদী কর্তৃক পরিশোধিত মোট টাকার তুলনামূলক অবস্থান;
(খ) একটি তফসিল, যাহাতে, ঐ সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি যাহা বন্ধক বা জামানত রাখিয়া বিবাদী কর্তৃক ঋণ গৃহীত হইয়াছে, উহাদের এবং সংশ্লিষ্ট বন্ধকী বা জামানতী দলিলের বিস্তারিত পরিচয়, বিবরণ, এবং আর্থিক মূল্যায়ন যদি হইয়া থাকে, প্রদর্শিত হইবে৷
বিবাদী কর্তৃক দাখিলকৃত লিখিত জবাবের প্রত্যুত্তরে বাদী আর্থিক প্রতিষ্ঠান আরজির অতিরিক্ত কোন জবাব বা বিবরণ প্রদান করিতে চাহিলে, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, লিখিত জবাব দাখিলের পরবর্তী ১৫ (পনের) দিবসের মধ্যে উহা দাখিল করিবে৷
1
[*****] আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হইয়া থাকিলে, উহা বিক্রয় না করিয়া এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ ঋণ পরিশোধ বাবদ সমন্বয় না করিয়া, অথবা বিক্রয়ের চেষ্টা করিয়া ব্যর্থ না হইয়া, অর্থ ঋণ আদালতে কোন মামলা দায়ের করিবে না।
2
[(৫) কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যদি উহার অনুকূলে উপ-ধারা (৩) এর অধীন বন্ধকি বা দায়বদ্ধ কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য এই ধারার অধীন গৃহীত কার্যক্রমের সুবিধার্থে অনুরূপ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখল ও নিয়ন্ত্রণ বিক্রয়ের পূর্বে বা পরে বিবাদী বা ঋণ-গ্রহীতা হইতে নিজ দখল বা নিয়ন্ত্রণে সমর্পিত হওয়া অথবা, ক্ষেত্রমত, ক্রেতার অনুকূলে সমর্পণ করা প্রয়োজন মনে করে, তাহা হইলে উক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান লিখিতভাবে অনুরোধ করিলে বিবাদী বা ঋণ-গ্রহীতা অনুরূপ দখল অবিলম্বে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা, ক্ষেত্রমত, ক্রেতার অনুকূলে সমর্পণ করিবে৷
তবে শর্ত থাকে যে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিক্রয় কার্যক্রমে কোনরূপ অবৈধতা বা পদ্ধতিগত অনিয়ম থাকিলে, জামানত প্রদানকারী ঋণ-গ্রহীতা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবী করিতে পারিবেন৷
এই আইনের বিধান ব্যতিরেকে, কোন আদালত বা কর্তৃপক্ষের নিকট অর্থ ঋণ আদালতে বিচারাধীন কোন কার্যধারা বা উহার কোন আদেশ, রায় বা ডিক্রীর বিষয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না, এবং এই আইনের বিধানকে উপেক্ষা করিয়া কোন আদালত বা কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করিয়া কোন প্রতিকার দাবী বা প্রার্থনা করা হইলে, ঐরূপ আবেদন কোন আদালত বা কর্তৃপক্ষ গ্রাহ্য করিবে না৷
1
[২২। (১) চতুর্থ পরিচ্ছেদে বর্ণিত সাধারণ পদ্ধতিতে মামলার বিচার বা শুনানী সম্পর্কিত যে বিধানই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন দায়েরকৃত কোন মামলায় বিবাদী কর্তৃক লিখিত জবাব দাখিলের পর, আদালত, ধারা ২৪ এর বিধান সাপেক্ষে, মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, মামলাটি, নিযুক্ত আইনজীবীগণ কিংবা আইনজীবী নিযুক্ত না হইয়া থাকিলে পক্ষগণের নিকট প্রেরণ করিবে।
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হইবার অযোগ্য হইবেন।
1
[২৩। (১) ধারা ২২ এর অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি না হইলে ৪র্থ পরিচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আদালত কর্তৃক রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে মামলার যে কোন পর্যায়ে উভয় পক্ষ আদালতের অনুমতিক্রমে ধারা ২২ এর উপ-ধারা (২), (৩) ও (৪) এ উল্লিখিত বিধান মোতাবেক বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করিতে পারিবে।
2
[ (১) এই আইনের অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প পদ্ধতিতে মামলার নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যকে কার্যকর করার লক্ষ্যে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান উহার পরিচালক পর্ষদ (Board of Directors) বা অনুরূপ উপযুক্ত পর্যায় কর্তৃক, তদ্উদ্দেশ্যে রিজুলিউশন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণপূর্বক, কেন্দ্রীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় পর্যায়ে উপযুক্ত ব্যবস্থাপক বা কর্মকর্তাকে যথাযথ ৰমতা অর্পণ করিয়া আদেশ বা পরিপত্র জারী করিবে।]
3
[(৪) আদালত, এই আইনের অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প পদ্ধতিতে উপনীত আপোষ অনুযায়ী ডিক্রী বা আদেশ প্রদান করিবার পূর্বে নিশ্চিত হইবেন যে, উক্ত আপোষ উপ-ধারা (২) এর নির্ধারিত সীমার অধীনেই হইয়াছে এবং, ক্ষেত্রমত, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক উহা অনুমোদিত হইয়াছে।]
1
[২৫। পাঁচ কোটি টাকার অধিক দাবী সম্বলিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোন মামলা এই আইনের অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প পদ্ধতিতে নিষ্পত্তির নিমিত্ত প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী, যে নামেই অভিহিত হইয়া থাকেন না কেন, কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।]
The
Code of Civil Procedure, 1908
এর অধীন মানি ডিক্রী জারী সংক্রান্ত বিধানাবলী, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন ডিক্রী জারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে৷
Limitation Act, 1908
এবং The
Code of Civil Procedure, 1908
এ ভিন্নতর যে বিধানই থাকুক না কেন, ডিক্রীদার, আদালতযোগে ডিক্রী বা আদেশ কার্যকর করিতে ইচ্ছা করিলে, ডিক্রী বা আদেশ প্রদত্ত হওয়ার অনূর্ধ্ব
1
[১ (এক) বৎসরের মধ্যে], ধারা ২৯ এর বিধান সাপেক্ষে জারীর জন্য আদালতে দরখাস্ত দাখিল করিয়া মামলা করিবে।
2
[১ (এক) বৎসর] অতিবাহিত হইবার পরে জারীর জন্য দায়েরকৃত কোন মামলা তামাদিতে বারিত হইবে এবং অনুরূপ তামাদিতে বারিত মামলা আদালত কার্যার্থে গ্রহণ না করিয়া সরাসরি খারিজ করিবে।
আদালত, রায় প্রদানের সময় ডিক্রীকৃত টাকা এককালীন অথবা কিস্তিতে পরিশোধের জন্য কোন সময়সীমা নির্ধারণ করিয়া থাকিলে, অনুরূপ সময়সীমা অতিক্রান্ত বা অকার্যকর হইবার পর হইতে ধারা ২৮(১) এ উল্লিখিত সময়সীমা কার্যকর হইবে৷
1
[(১)] আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ডিক্রীদার আদালতের জারীকারক কর্তৃক এবং প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে প্রেরণের নিমিত্ত, জারীর দরখাস্তের সহিত নোটিশ জারীর জন্য সমুদয় তলবানা আদালতে দাখিল করিবেন, এবং আদালত অবিলম্বে উহাদের একযোগে জারীর ব্যবস্থা করিবেন, এবং যদি সমন ইসু্যর ১৫ (পনের) দিবসের মধ্যে জারী হইয়া ফেরত না আসে, অথবা তৎপূর্বেই বিনা জারীতে ফেরত আসে, তাহা হইলে আদালত, উহার পরবর্তী ১৫ (পনের) দিবসের মধ্যে বাদীর খরচায় যে কোন একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়, এবং তদুপরি ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় মনে করিলে স্থানীয় একটি পত্রিকায়, যদি থাকে, বিজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে নোটিশ জারী করাইবেন, এবং অনুরূপ জারী আইনানুগ জারী মর্মে গণ্য হইবে।
2
[(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন পত্রিকার মাধ্যমে নোটিশ জারী করিবার ক্ষেত্রে ডিক্রীদার লিখিতভাবে আদালতকে যে পত্রিকার নাম অবহিত করিবেন আদালত তদনুযায়ী উক্ত পত্রিকায় নোটিশ জারী করাইবে।]
অর্থ ঋণ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বা ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন উচ্চতর আদালতে দায়ের করা হইলে উহা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জারীর কার্যধারা স্থগিত করিবে না; উচ্চতর আদালত সুস্পষ্টভাবে তদুদ্দেশ্যে স্থগিতাদেশ প্রদান করিলেই কেবল জারীর কার্যধারা তদ্অনুযায়ী স্থগিত থাকিবে৷
1
[(২) উপরোক্ত মতে দাবী পেশ করিবার ক্ষেত্রে, দরখাস্তকারী, ডিক্রীকৃত অর্থের, অথবা ডিক্রীকৃত অর্থের আংশিক ইতিমধ্যে আদায় হইয়া থাকিলে অনাদায়ী অংশের, ১০% এর সমপরিমাণ জামানত বা বন্ড দাখিল করিবে, এবং অনুরূপ জামানত বা বন্ড দাখিল না করিলে উক্ত দাবী অগ্রাহ্য হইবে।]
2
[লিখিত আপত্তি] দাখিল হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিবে এবং কোন কারণে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে, কারণ লিপিবদ্ধ করতঃ, উক্ত সময়সীমা অনূধর্্ব আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করিতে পারিবে।
3
[(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন দাখিলকৃত লিখিত আপত্তি নিষ্পন্ন করিয়া আদালত যদি অবধারণ করিতে পারে যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন দাবী সম্বলিত দরখাস্তটি ডিক্রীদারের পাওনা বিলম্বিত বা প্রতিহত করিবার অসাধু উদ্দেশ্যে দায়ের করা হইয়াছিল, তাহা হইলে আদালত উক্ত দরখাস্ত খারিজ করিবার সময় একই আদেশ দ্বারা উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত জামানত বা বন্ড বাজেয়াপ্ত করিবে এবং ডিক্রীকৃত টাকা যে পদ্ধতিতে আদায় করা হয়, বাজেয়াপ্ত জামানত বা বন্ডের অধীন টাকা একই পদ্ধতিতে আদালত আদায় করিবে এবং আদায়কৃত অর্থ ডিক্রীদারকে প্রদান করিবে।]
1
[(২) প্রত্যেক দরদাতা, উদ্ধৃত দর অনূর্ধ্ব ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) টাকা হইলে উহার ২০%, উদ্ধৃত দর ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) টাকা অপেক্ষা অধিক এবং অনূর্ধ্ব ৫০,০০,০০০ (পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা হইলে উহার ১৫% এবং উদ্ধৃত দর ৫০,০০,০০০ (পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা অপেক্ষা অধিক হইলে উহার ১০% এর সমপরিমান টাকার, জামানতস্বরূপ, ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার আদালতের অনুকূলে দরপত্রের সহিত দাখিল করিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট ডিক্রীদার-আর্থিক প্রতিষ্ঠান লিখিত দরখাস্ত দাখিল করিয়া দায়িকের সুবিধার্থে সময়সীমা বর্ধিত করিবার জন্য অনুরোধ করিলে, আদালত এই উপ-ধারার অধীন নির্ধারিত সময়সীমার অনূর্ধ্ব ৬০ (ষাট) দিবস পর্যন্ত বর্ধিত করিতে পারিবে।
[উপ-ধারা (২খ) এর অধীনে] জামানত বাজেয়াপ্ত হইলে উহার অর্থ ডিক্রীদারকে প্রদান করা হইবে, ডিক্রীকৃত দাবীর সহিত উক্ত অর্থ সমন্বয় করা হইবে, এবং অতঃপর আদালত, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা কতর্ৃক উদ্ধৃত দর এবং পূর্বে বাজেয়াপ্তকৃত জামানত একত্রে সর্বোচ্চ দরদাতা কতর্ৃক উদ্ধৃত দর অপেক্ষা কম না হইলে, উক্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতাকে সম্পত্তি নিলাম খরিদ করিতে আহ্বান করিবে; এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা
3
[ আহুত হইবার পর উপ-ধারা (২খ) এ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পুর্ণ মূল্য] পরিশোধ করিবেন এবং তাহা করিতে ব্যর্থ হইলে তাঁহার জামানত বাজেয়াপ্ত হইবে এবং জামানতের উক্ত অর্থ ডিক্রীদারকে ডিক্রীর দাবীর সহিত সমন্বয় করিবার জন্য প্রদান করা হইবে।
4
[উপ-ধারা (১), (২), (২ক), (২খ), (২গ) ও (৩) এর বিধান অনুসারে] নীলামে বিক্রয় করা সম্ভব না হইলে, আদালত পুনরায় কমপক্ষে বহুল প্রচারিত ২(দুই)টি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়, তদুপরি ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন মনে করিলে স্থানীয় একটি পত্রিকায়, যদি থাকে, উপ-ধারা (১) এর অনুরূপ পদ্ধতিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করাইয়া এবং আদালতের নোটিশ বোর্ডে নোটিশ টাংগাইয়া ও স্থানীয়ভাবে ঢোল সহরতযোগে সীলমোহরকৃত টেন্ডার আহ্বান করিবে; এবং বিক্রয় ও বাজেয়াপ্ত বিষয়ে
5
[উপ-ধারা (২), (২ক), (২খ), (২গ) ও (৩) এ উল্লিখিত বিধান] অনুসরণ করিবে।
6
[(৪ক) উপ-ধারা (১) ও (৪) এর অধীন পত্রিকার মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি জারী করিবার ক্ষেত্রে, বাদী লিখিতভাবে আদালতকে যে পত্রিকার নাম অবহিত করিবেন আদালত তদনুযায়ী উক্ত পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করাইবে।]
7
[উপ-ধারা (১), (২), (২ক), (২খ), (২গ), (৩) ও (৪) এর বিধান অনুসারে] বিক্রয় করা সম্ভব না হইলে, উক্ত সম্পত্তি, ডিক্রীকৃত দাবী পরিপূর্ণভাবে পরিশোধিত না হওয়া পর্যন্ত, দখল ও ভোগের অধিকারসহ ডিক্রীদারের অনুকূলে ন্যস্ত করা হইবে, এবং ডিক্রীদার
8
[উপ-ধারা (১), (২), (২ক), (২খ), (২গ), (৩) ও (৪) এর বিধান অনুসারে] উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করিয়া অপরিশোধিত ডিক্রীর দাবী আদায় করিতে পারিবে, এবং আদালত ঐ মর্মে একটি সার্টিফিকেট ইসু্য করিবে।
9
[(৬ক) উপ-ধারা (৫) ও (৬) এর বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি, দখল ও ভোগের অধিকারসহ, ডিক্রিদারের অনুকূলে ন্যস্ত করা সত্বেও ডিক্রিদার উক্ত সম্পত্তি উপযুক্ত মূল্যে প্রকাশ্য নিলামে বিক্রয় করিতে অসমর্থ হন, সেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তির নির্ধারিত মূল্য কিংবা যুক্তিসংগত আনুমানিক মূল্য বাদ দিয়া, ধারা ২৮ এর বিধান সাপেক্ষে, জারীর মামলা দায়ের করা যাইবে।
10
[উপ-ধারা (১), (২), (২ক), (২খ), (২গ) ও (৩) এর বিধানাবলীর কোনরূপ হানি না ঘটাইয়া], উপ-ধারা (৪) ও (৫) এর কার্যক্রম অনুসরণ করা হইতে বিরত থাকিবে; এবং ডিক্রীদারের প্রার্থিতমতে উল্লেখিত সম্পত্তির স্বত্ত্ব ডিক্রীদারের অনুকূলে ন্যস্ত হইয়াছে মর্মে ঘোষণা প্রদানপূর্বক তৎমর্মে একটি সনদপত্র জারী করিবে এবং জারীকৃত এইরূপ সনদপত্র সত্ত্বের দলিল হিসাবে গণ্য হইবে; এবং আদালত উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সাব- রেজিষ্ট্রারের অফিসে নিবন্ধনের জন্য প্রেরণ করিবে।
11
[(৭ক) উপ-ধারা (৫) বা (৭) এর অধীন সম্পত্তির দখল আদালতযোগে প্রাপ্ত হওয়া আবশ্যক হইলে, ডিক্রীদারের লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে আদালত ডিক্রীদারকে উক্ত সম্পত্তির দখল অর্পণ করিতে পারিবে।
এই আইনের অধীনে জারীর কার্যক্রম পরিচালনাকালে আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী ও দেওয়ানী কারাগারে আটকের উদ্দেশ্যে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে গণ্য হইবে এবং এই আইনের অধীনে উপযুক্ত ফরমসমূহ তৈরী না হওয়া পর্যন্ত, উক্ত আদালত উক্ত বিষয়ে The
Code of Criminal Procedure, 1898
এর প্রাসংগিক ফরমসমূহ, প্রয়োজনীয় সংশোধন সাপেক্ষে (Mutatis Mutandis), ব্যবহার করিবে৷
1
[৩৮। (১) এই আইনের অধীন অর্থ ঋণ আদালত মামলায় প্রদত্ত ডিক্রীর ধারাবাহিকতায় জারী কার্যক্রম অব্যাহত থাকার যে কোন পর্যায়ে পক্ষগণ মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করিয়া আদালতকে অবহিত করিতে পারিবে।
সরকার, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, জারী সংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আরো বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷
এই পরিচ্ছেদের অধীন আপীল ও রিভিশন কার্যক্রমে, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷
1
[পরবর্তী ৬০ (ষাট) দিবসের] মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে, এবং যদি ডিক্রীকৃত টাকার পরিমাণ ৫০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা অথবা তদ্অপেক্ষা কম হয়,
2
[তাহা হইলে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে জেলাজজ আদালতে আপীল করিতে পারিবেন।]
এই আইনের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আপীল বা রিভিশনে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে আপীল দায়েরের জন্য ঋণ গ্রহীতা-বিবাদীকে আপীল বিভাগ অনুমতি প্রদান করার ক্ষেত্রে, সংগত মনে করিলে, ৪২(১) ধারার অনুরূপ পদ্ধতিতে ডিক্রীকৃত টাকার অপরিশোধিত অবশিষ্টাংশের যে কোন পরিমাণ টাকা নগদ বাদী-আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অথবা জামানতস্বরূপ ডিক্রী প্রদানকারী আদালতে জমাদান করার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে৷
1
[৪৪ক। (১) ৭ম পরিচ্ছেদের অধীন আপীল বা রিভিশন কার্যক্রম অব্যাহত থাকার যে কোন পর্যায়ে পক্ষগণ মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করিয়া আদালতকে অবহিত করিতে পারিবে।
[***] এই আইনের কোন কিছুই, বিচার কার্যক্রমের পরবর্তী যে কোন পর্যায়ে, কোন মামলার আপোষ নিষ্পত্তি করা হইতে পক্ষগণকে বারিত করিবে না৷
Limitation Act, 1908
(Act No. IX of 1908) এ ভিন্নতর বিধান যাহাই থাকুক না কেন, কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান সম্পাদিত চুক্তি বা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ঋণ গ্রহীতার নিকট হইতে ঋণ পরিশোধ সূচী (Repayment schedule) অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ শুরু হইবার পরবর্তী-
(ক) প্রথম এক বত্সরে প্রাপ্য অর্থের অন্যুন ১০%, অথবা
(খ) প্রথম দুই বত্সরে প্রাপ্য অর্থের অন্যুন ১৫%, অথবা
(গ) প্রথম তিন বত্সরে প্রাপ্য অর্থের অন্যুন ২৫%
পরিমাণ অর্থ আদায় না হইলে, উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, উহার পরবর্তী এক বত্সরের মধ্যে মামলা দায়ের করিবে৷
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার বিধান কার্যকর হইবার পূর্বেও কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই ধারার বিধানকে কার্যকর করিতে পারিবে৷
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইচ্ছা করিলে, এই ধারা কার্যকর হইবার পূর্বেই, এই ধারার বিধান অনুসরণ করিতে পারিবে৷
এই আইনের অধীন দিবস গণনার ক্ষেত্রে কেবলমাত্র বিচারকের কার্যদিবস গণনা করা হইবে এবং সাময়িকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারকের কার্য দিবসও অনুরূপ গণনার অন্তর্ভুক্ত হইবে৷
1
[১২% (বার শতাংশ)] বার্ষিক সরল হারে, কোন আপীল, রিভিশন বা অন্য কোন দরখাস্ত কোন উচ্চতর আদালতে দায়ের করিলে পূর্বোক্ত সময়কালের জন্য
2
[১৬% (ষোল শতাংশ)] বার্ষিক সরল হারে, এবং আপীল বা উচ্চতর আদালতের ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে আপীল করিলে, পূর্বোক্ত সময়কালের জন্য ১৮% (আঠার শতাংশ) বার্ষিক সরল হারে, উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, সুদ, বা, ক্ষেত্রমত, মুনাফা আরোপিত হইবে।
3
[(৪) এই ধারার পূববর্তী উপ-ধারাসমূহে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৪১ ও ৪২ এর বিধান অনুযায়ী বিবাদী-দায়িক কতৃর্ক নির্ধারিত পরিমাণ টাকা বা, ক্ষেত্রমত, জামানত জমা করিয়া উচ্চতর আদালতে আপীল বা রিভিশন দায়ের করিবার সুযোগ থাকা সত্বেও যদি কোন বিবাদী-দায়িক অনুরূপ নির্ধারিত পরিমাণ টাকা বা, ক্ষেত্রমত, জামানত জমা না করিয়া নিম্ন আদালতের আদেশ বা ডিক্রীকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তর্কিত করিয়া হাইকোর্ট বিভাগে রীট আবেদন দায়ের করেন এবং উক্ত রীট আবেদন হাইকোর্ট বিভাগ বা আপীল বিভাগ কতৃর্ক খারিজ হয়, তাহা হইলে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সময়ের জন্য ২৫% বার্ষিক সরল হারে সুদ বা, ক্ষেত্রমত, মুনাফা আরোপিত হইবে।]