সিভিল কার্যবিধি, ১৯০৮ বাংলাদেশে দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান পদ্ধতিগত আইন। এই কার্যবিধি দেশের সকল আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমা, আপীল ও ডিক্রি কার্যকরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কার্যবিধিটি দুই ভাগে বিভক্ত: মূল অংশে এখতিয়ার (আর্থিক ও আঞ্চলিক), রেস জুডিকাটা (ধারা ১১), মোকদ্দমা দায়ের, বিবাদীকে সমন, প্লিডিংস, ডিসকভারি ও ইন্সপেকশন, রায় ও ডিক্রি, এবং ডিক্রি কার্যকর — যার মধ্যে ঋণীর গ্রেপ্তার ও আটক, সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়, এবং আনুপাতিক হারে সম্পদ বিতরণ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। প্রথম তফসিলে আদেশ ও বিধি রয়েছে যা পদ্ধতিগত বিবরণ সরবরাহ করে। মূল প্রক্রিয়াগুলির মধ্যে রয়েছে কমিশন ইস্যু করার ক্ষমতা (ধারা ৭৫), অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা, রিসিভার নিয়োগ, এবং মিথ্যা দাবির জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (ধারা ৩৫ক)। উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে প্রত্যয়িত নিলাম ক্রেতার বিরুদ্ধে মামলার নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৬৬), নির্দিষ্ট সম্পত্তি ক্রোকের সুরক্ষা (ধারা ৬০ — পোশাক, কারিগরের যন্ত্রপাতি, মজুরি ইত্যাদি), এবং মূল ডিক্রি, আপীল ডিক্রি ও আদেশ থেকে আপীলের বিস্তারিত বিধান। কার্যবিধিটি বর্তমানে বলবৎ এবং প্রথম তফসিলের বিধি দ্বারা পরিপূরিত হয়ে বাংলাদেশের সকল দেওয়ানি আদালতের কার্যধারা নিয়ন্ত্রণ করে।
পূর্ণ পাঠ · প্রধান ধারাসমূহ
§ 1সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, বিস্তার ও কার্যকাল
§ 2সংজ্ঞা
§ 3আদালতের অধীনতা
§ 4সংরক্ষণ
§ 5রাজস্ব আদালতে সংহিতার প্রয়োগ
§ 6আর্থিক এখতিয়ার
§ 7ছোটCause আদালত
§ 8[বাদ দেওয়া]
§ 9সকল দেওয়ানি মোকদ্দমা বিচারের এখতিয়ার
§ 10মোকদ্দমার স্থগিতকরণ
§ 11রেস জুডিকাটা
§ 12ফরেন জাজমেন্ট
§ 13বিদেশী রায় বাধ্যতামূলক
§ 14বিদেশী রায়ের প্রমাণ
§ 15মোকদ্দমা দায়েরের স্থান
§ 16স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা
§ 17অস্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা
§ 18ব্যক্তিগত কার্যের ক্ষতিপূরণ
§ 19চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণ
§ 20বিবাদীর বসবাসস্থলে মোকদ্দমা
§ 21এখতিয়ারের অভাবজনিত আপত্তি
§ 22মোকদ্দমা স্থানান্তর
§ 23একই আদালতে একাধিক মোকদ্দমা
§ 24মোকদ্দমা প্রত্যাহার
§ 24Aনিম্ন আদালতে মামলা স্থানান্তর
§ 25মোকদ্দমা প্রত্যাহারের প্রভাব
§ 26মোকদ্দমার সূচনা
§ 27সমন জারী
§ 28সমনের পদ্ধতি
§ 29সমনের বিকল্প পদ্ধতি
§ 30হাজিরা ও মোকাবিলা
§ 31বিবাদীর হাজিরা
§ 32হাজিরা না দাখিল
§ 33একপাক্ষিক রায় বাতিল
§ 34বিবাদীর আত্মপক্ষ সমর্থন
§ 35পক্ষগণ
§ 35Aমিথ্যা দাবির জন্য ক্ষতিপূরণ
§ 35Bবিলম্বের জন্য খরচ
§ 36নাবালক পক্ষ
§ 37বন্ধু
§ 38পক্ষের মৃত্যু
§ 39পক্ষের যোগদান
§ 40মিসজয়েন্ডার
§ 41প্রকৃত পক্ষের নিশ্চিতকরণ
§ 42আদালতের আইনজীবী
§ 43আইনজীবী নিয়োগ
§ 44আইনজীবীর এখতিয়ার
§ 44Aযুক্তরাজ্যের ডিক্রি কার্যকর
§ 45প্রক্রিয়া জারী
§ 46প্রক্রিয়া জারীর পদ্ধতি
সিভিল কার্যবিধি, ১৯০৮ বাংলাদেশে দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির প্রধান পদ্ধতিগত আইন। এই কার্যবিধি দেশের সকল আদালতে দেওয়ানি মোকদ্দমা, আপীল ও ডিক্রি কার্যকরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কার্যবিধিটি দুই ভাগে বিভক্ত: মূল অংশে এখতিয়ার (আর্থিক ও আঞ্চলিক), রেস জুডিকাটা (ধারা ১১), মোকদ্দমা দায়ের, বিবাদীকে সমন, প্লিডিংস, ডিসকভারি ও ইন্সপেকশন, রায় ও ডিক্রি, এবং ডিক্রি কার্যকর — যার মধ্যে ঋণীর গ্রেপ্তার ও আটক, সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়, এবং আনুপাতিক হারে সম্পদ বিতরণ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। প্রথম তফসিলে আদেশ ও বিধি রয়েছে যা পদ্ধতিগত বিবরণ সরবরাহ করে। মূল প্রক্রিয়াগুলির মধ্যে রয়েছে কমিশন ইস্যু করার ক্ষমতা (ধারা ৭৫), অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা, রিসিভার নিয়োগ, এবং মিথ্যা দাবির জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (ধারা ৩৫ক)। উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে প্রত্যয়িত নিলাম ক্রেতার বিরুদ্ধে মামলার নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৬৬), নির্দিষ্ট সম্পত্তি ক্রোকের সুরক্ষা (ধারা ৬০ — পোশাক, কারিগরের যন্ত্রপাতি, মজুরি ইত্যাদি), এবং মূল ডিক্রি, আপীল ডিক্রি ও আদেশ থেকে আপীলের বিস্তারিত বিধান। কার্যবিধিটি বর্তমানে বলবৎ এবং প্রথম তফসিলের বিধি দ্বারা পরিপূরিত হয়ে বাংলাদেশের সকল দেওয়ানি আদালতের কার্যধারা নিয়ন্ত্রণ করে।