ডিভোর্স আইন, ১৮৬৯ বাংলাদেশে খ্রিস্টানদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ন্ত্রণকারী আইন। এটি বাংলাদেশে সম্পাদিত সকল খ্রিস্টান বিবাহ এবং খ্রিস্টান অধিবাসী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আইনটি স্বামী বা স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পিটিশন দায়ের করতে পারেন এমন ভিত্তি প্রদান করে, যার মধ্যে রয়েছে ব্যভিচার (স্বামীর জন্য), ব্যভিচারের সাথে পরিত্যাগ, নিষ্ঠুরতা বা ধর্ম পরিবর্তন এবং স্ত্রীর জন্য অতিরিক্ত ভিত্তি যেমন স্বামী কর্তৃক ধর্ষণ, অপ্রাকৃতিক অপরাধ। মূল প্রক্রিয়াগুলির মধ্যে রয়েছে জেলা আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগের বিবাহ বিচ্ছেদ পিটিশন শোনার ক্ষমতা, ডিক্রি দেওয়ার আগে পুনর্মিলনের প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা এবং অন্তর্বর্তী ভরণপোষণ ও স্থায়ী ভরণপোষণের বিধান (ধারা ৩৬-৩৭)। আইনটি বিবাহ বাতিলের ডিক্রি, বিচারিক পৃথকীকরণ (ধারা ২২) এবং অন্য ধর্মে ধর্মান্তরের কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের বিধানও রাখে। উল্লেখযোগ্য বিধানগুলির মধ্যে রয়েছে ধারা ১০ক যা পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদের বিধান রাখে এবং বিবাহের প্রথম বছরের মধ্যে বিচ্ছেদের নিষেধাজ্ঞা (ধারা ১২)। সন্তানের অভিভাবকত্ব সন্তানের কল্যাণ বিবেচনায় আদালত কর্তৃক নির্ধারিত হতে পারে (ধারা ৪১-৪২)। আইনটি ১৮৬৯ সালে প্রণীত হলেও বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পারিবারিক বিষয় নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিগত আইন হিসাবে বলবৎ রয়েছে।
পূর্ণ পাঠ · প্রধান ধারাসমূহ
§ 1সংক্ষিপ্ত শিরোনাম
§ 2আইনের প্রযোজ্যতা
§ 3aসাধারণভাবে প্রতিকার প্রদান এবং বিচ্ছেদ বা বাতিলের ডিক্রি প্রদানের ক্ষমতার ব্যাপ্তি
§ 3ব্যাখ্যা-ধারা
§ 4আইন সাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগের বৈবাহিক এখতিয়ার
§ 5[বাদ দেওয়া হয়েছে]
§ 6[বাদ দেওয়া হয়েছে]
§ 7ইংরেজ ডিভোর্স কোর্টের নীতি অনুযায়ী আদালতের কাজ
§ 8হাইকোর্ট বিভাগের অসাধারণ এখতিয়ার
§ 9aমামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা
§ 9হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স
§ 10কখন স্বামী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পিটিশন দাখিল করতে পারেন
§ 11aপিটিশনের বিষয়বস্তু
§ 14aকখন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পিটিশন দাখিল করতে পারেন
§ 11ব্যভিচারীকে সহ-প্রত্যর্থী করা
§ 12আদালতের সম্মতি-সাপেক্ষতার অনুপস্থিতি নিশ্চিতকরণ
§ 13পিটিশন খারিজ
§ 14বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি ঘোষণার জন্য আদালতের ক্ষমতা
§ 15aক্ষমা
§ 15নির্দিষ্ট কিছু কারণে বিরোধিতার ক্ষেত্রে প্রতিকার
§ 16বিচ্ছেদের ডিক্রি নাইসি হতে হবে
§ 17aসম্মতি-সাপেক্ষতা
§ 17Aরাজার প্রক্টরের দায়িত্ব পালনের জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ
§ 17ডিস্ট্রিক্ট জজ কর্তৃক বিচ্ছেদের ডিক্রি নিশ্চিতকরণ
§ 18বাতিল ডিক্রির জন্য পিটিশন
§ 19ডিক্রির ভিত্তি
§ 20ডিস্ট্রিক্ট জজের ডিক্রি নিশ্চিতকরণ
§ 21বাতিল বিবাহের সন্তান
§ 22ডিভোর্স আ মেনসা এ টোরোর নিষেধাজ্ঞা; কিন্তু স্বামী বা স্ত্রী কর্তৃক বিচারিক পৃথকীকরণ প্রাপ্তি
§ 23পিটিশনের মাধ্যমে পৃথকীকরণের আবেদন
§ 24পৃথকীকৃত স্ত্রী পরবর্তী অর্জিত সম্পত্তির ক্ষেত্রে অবিবাহিতা গণ্য
§ 25চুক্তি ও মামলা করার উদ্দেশ্যে পৃথকীকৃত স্ত্রী অবিবাহিতা গণ্য
§ 26স্বামী বা স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে প্রাপ্ত পৃথকীকরণ ডিক্রি প্রত্যাহারযোগ্য
§ 27পরিত্যক্ত স্ত্রী সুরক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারেন
§ 28আদালত সুরক্ষা আদেশ দিতে পারেন
§ 29আদেশ প্রত্যাহার বা পরিবর্তন
§ 30আদেশের নোটিশের পর স্ত্রীর সম্পত্তি গ্রহণকারী স্বামীর দায়িত্ব
§ 31আদেশ চলাকালে স্ত্রীর আইনগত অবস্থান
§ 32বৈবাহিক অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য পিটিশন
§ 33পিটিশনের উত্তর
§ 34স্বামী ব্যভিচারী থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন
§ 35ব্যভিচারীকে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা; মামলায় হস্তক্ষেপকারীকে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা
§ 36মামলা চলাকালীন ভরণপোষণ
§ 37স্থায়ী ভরণপোষণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা; মাসিক বা সাপ্তাহিক প্রদানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা
§ 38আদালত স্ত্রীকে বা তার ট্রাস্টিকে ভরণপোষণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে
§ 39aক্ষতিপূরণ বন্দোবস্ত
§ 39স্বামী ও সন্তানদের সুবিধার জন্য স্ত্রীর সম্পত্তি বন্দোবস্তের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা
§ 40বিবাহ-পূর্ব বা বিবাহ-পরবর্তী বন্দোবস্তের অস্তিত্ব তদন্ত
§ 41পৃথকীকরণ মামলায় সন্তানের হেফাজত সংক্রান্ত আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা
§ 42ডিক্রির পর এইরূপ আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা
ডিভোর্স আইন, ১৮৬৯ বাংলাদেশে খ্রিস্টানদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ন্ত্রণকারী আইন। এটি বাংলাদেশে সম্পাদিত সকল খ্রিস্টান বিবাহ এবং খ্রিস্টান অধিবাসী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আইনটি স্বামী বা স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পিটিশন দায়ের করতে পারেন এমন ভিত্তি প্রদান করে, যার মধ্যে রয়েছে ব্যভিচার (স্বামীর জন্য), ব্যভিচারের সাথে পরিত্যাগ, নিষ্ঠুরতা বা ধর্ম পরিবর্তন এবং স্ত্রীর জন্য অতিরিক্ত ভিত্তি যেমন স্বামী কর্তৃক ধর্ষণ, অপ্রাকৃতিক অপরাধ। মূল প্রক্রিয়াগুলির মধ্যে রয়েছে জেলা আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগের বিবাহ বিচ্ছেদ পিটিশন শোনার ক্ষমতা, ডিক্রি দেওয়ার আগে পুনর্মিলনের প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা এবং অন্তর্বর্তী ভরণপোষণ ও স্থায়ী ভরণপোষণের বিধান (ধারা ৩৬-৩৭)। আইনটি বিবাহ বাতিলের ডিক্রি, বিচারিক পৃথকীকরণ (ধারা ২২) এবং অন্য ধর্মে ধর্মান্তরের কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের বিধানও রাখে। উল্লেখযোগ্য বিধানগুলির মধ্যে রয়েছে ধারা ১০ক যা পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদের বিধান রাখে এবং বিবাহের প্রথম বছরের মধ্যে বিচ্ছেদের নিষেধাজ্ঞা (ধারা ১২)। সন্তানের অভিভাবকত্ব সন্তানের কল্যাণ বিবেচনায় আদালত কর্তৃক নির্ধারিত হতে পারে (ধারা ৪১-৪২)। আইনটি ১৮৬৯ সালে প্রণীত হলেও বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পারিবারিক বিষয় নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিগত আইন হিসাবে বলবৎ রয়েছে।