পাসপোর্ট আইন, ১৯২০ বাংলাদেশে পাসপোর্ট ও ভ্রমণ দলিল ইস্যু, নিয়ন্ত্রণ ও জব্দ করার জন্য প্রযোজ্য আইন। এই আইন বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যারা পাসপোর্ট বা ভ্রমণ দলিলের জন্য আবেদন করেন বা ধারণ করেন। আইনটির মূল বিধানগুলির মধ্যে রয়েছে: পাসপোর্টের জন্য আবেদনের পদ্ধতি, পাসপোর্ট ইস্যু করতে অস্বীকৃতি বা প্রত্যাখ্যানের ক্ষমতা, এবং ভুয়া তথ্য বা প্রতারণার মাধ্যমে পাসপোর্ট প্রাপ্তির জন্য শাস্তি। আইনটি সরকারকে পাসপোর্ট জব্দ বা প্রত্যাহারের ক্ষমতা প্রদান করে, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা বা জনস্বার্থের কারণে। ভুয়া পাসপোর্ট ব্যবহার, অন্যের পাসপোর্ট ব্যবহার, বা পাসপোর্ট সংক্রান্ত অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে। ১৯২০ সালে প্রণীত হলেও এই আইনটি বারবার সংশোধনের মাধ্যমে আধুনিকায়িত হয়েছে এবং বর্তমানে বলবৎ রয়েছে।
পূর্ণ পাঠ · প্রধান ধারাসমূহ
§ 1সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রযোজ্যতা
§ 2সংজ্ঞা
§ 3বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
§ 4গ্রেপ্তারের ক্ষমতা
§ 5প্রত্যাবাসনের ক্ষমতা
§ 6[বাদ দেওয়া হয়েছে]
পাসপোর্ট আইন, ১৯২০ বাংলাদেশে পাসপোর্ট ও ভ্রমণ দলিল ইস্যু, নিয়ন্ত্রণ ও জব্দ করার জন্য প্রযোজ্য আইন। এই আইন বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যারা পাসপোর্ট বা ভ্রমণ দলিলের জন্য আবেদন করেন বা ধারণ করেন। আইনটির মূল বিধানগুলির মধ্যে রয়েছে: পাসপোর্টের জন্য আবেদনের পদ্ধতি, পাসপোর্ট ইস্যু করতে অস্বীকৃতি বা প্রত্যাখ্যানের ক্ষমতা, এবং ভুয়া তথ্য বা প্রতারণার মাধ্যমে পাসপোর্ট প্রাপ্তির জন্য শাস্তি। আইনটি সরকারকে পাসপোর্ট জব্দ বা প্রত্যাহারের ক্ষমতা প্রদান করে, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা বা জনস্বার্থের কারণে। ভুয়া পাসপোর্ট ব্যবহার, অন্যের পাসপোর্ট ব্যবহার, বা পাসপোর্ট সংক্রান্ত অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রয়েছে। ১৯২০ সালে প্রণীত হলেও এই আইনটি বারবার সংশোধনের মাধ্যমে আধুনিকায়িত হয়েছে এবং বর্তমানে বলবৎ রয়েছে।